Tuesday, March 31, 2026
Homeজাতীয়জেনেভায় বাংলাদেশের নতুন সরকারের বড় সাফল্য, আইএলওতে ৪৭ দেশের পূর্ণ সমর্থন

জেনেভায় বাংলাদেশের নতুন সরকারের বড় সাফল্য, আইএলওতে ৪৭ দেশের পূর্ণ সমর্থন

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি আস্থা জানিয়ে শ্রম খাতের আইনি ও প্রশাসনিক সংস্কারের প্রশংসা করেছে বিশ্ব সম্প্রদায়। ২০১৯ সালের শ্রম অভিযোগ সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী বছরের মার্চে নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক | জেনেভা

৩১ মার্চ, ২০২৬

জেনেভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৩৫৬তম গভর্নিং বডি অধিবেশনে বাংলাদেশের নবগঠিত সরকারের প্রতি ৪৭টি দেশ পূর্ণ সমর্থন ও অভিনন্দন জানিয়েছে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনমত নিয়ে ক্ষমতায় আসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে দেশগুলো। মঙ্গলবার জেনেভা থেকে পাওয়া এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

অধিবেশনে আইএলও সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদের অধীনে ২০১৯ সালের জুন মাসে তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাঁচজন শ্রমিক প্রতিনিধি ওই সময় কনভেনশন ৮১, ৮৭ এবং ৯৮ পরিপালনে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছিলেন। এর প্রেক্ষিতে ২০২১ সালে একটি পাঁচ বছর মেয়াদী ‘শ্রম খাত সংস্কার রোডম্যাপ’ জমা দেওয়া হয়েছিল। গত পাঁচ বছরে আটটি অধিবেশনে এই রোডম্যাপের অগ্রগতি পর্যালোচিত হয়েছে এবং বর্তমান সরকার আজ নবম অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছে।

৫৬ সদস্যের গভর্নিং বডির মধ্যে ১৯টি সদস্য রাষ্ট্র, দুটি আঞ্চলিক গ্রুপের ২৮টি দেশ এবং নিয়োগকর্তা প্রতিনিধিরা নতুন সরকারের শ্রম সংস্কারের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রশংসা করেছেন। তারা শ্রম খাতের আইনি ও প্রশাসনিক সংস্কার দ্রুত সম্পন্নের মাধ্যমে চলমান মামলাটি নিষ্পত্তির আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে ছিলেন শ্রম, কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এছাড়া জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান এবং শ্রম সচিব আবদুর রহমান তরফদার উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনার শুরুতে উপদেষ্টা মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে গভর্নিং বডির সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি শ্রম অধিকার রক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। উপদেষ্টা জানান, বর্তমান সরকার নাগরিকদের অধিকার, আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির যে ম্যান্ডেট পেয়েছে, তা আইএলওর ‘ডিসেন্ট ওয়ার্ক এজেন্ডা’র সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।

মাহদী আমিন আরও জানান, ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধনী অধ্যাদেশ ২০২৫’ কার্যকর করার জন্য একটি সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ত্রিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়ে তিনি আইএলও ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সহযোগিতা কামনা করেন। বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী বছরের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হবে।

RELATED NEWS

Latest News