Thursday, April 9, 2026
Homeজাতীয়ঢাকা মেডিকেলে জরুরি সেবা সচল: তদন্তে ৬ সদস্যের কমিটি, সময় ৩ মাস!

ঢাকা মেডিকেলে জরুরি সেবা সচল: তদন্তে ৬ সদস্যের কমিটি, সময় ৩ মাস!

চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বনাম রোগীদের ভোগান্তি; ১১ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ; নেপথ্যে সেই ‘নিয়ন্ত্রিত’ ইনজেকশন।

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

৯ এপ্রিল, ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের রেশ কাটিয়ে অবশেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ডিএমসিএইচ) জরুরি চিকিৎসা সেবা পুনরায় চালু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) গভীর রাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এক জরুরি বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একইসাথে পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখতে ৬ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, কমিটিকে আগামী ১১ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত: একটি ‘অপ্রাপ্য’ ইনজেকশন

তদন্ত সংশ্লিষ্ট এবং প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে সংঘর্ষের যে কারণ উঠে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার পর্যায়ক্রমিক বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

সময়কালঘটনাপ্রবাহ
বুধবার দুপুরএকজন ঢাবি শিক্ষার্থী জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন।
ব্যবস্থাপত্রকর্তব্যরত চিকিৎসক একটি বিশেষ ইনজেকশন বাইরে থেকে কেনার পরামর্শ দেন (হাসপাতালে নেই)।
সংকটশিক্ষার্থীর সহযোগীরা বাইরে ইনজেকশনটি খুঁজে না পেয়ে ফিরে এসে তর্কে জড়ান।
বিস্ফোরণতর্কের এক পর্যায়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।
অচলাবস্থাউত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কর্তৃপক্ষ ‘কেচি গেট’ বন্ধ করে জরুরি সেবা স্থগিত করে।

চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও ‘নিয়ন্ত্রিত’ ওষুধের জটিলতা

জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছেন, যে ইনজেকশনটি লিখে দেওয়া হয়েছিল তা ‘কন্ট্রোলড ক্যাটাগরি’র বা বিশেষ নিয়ন্ত্রিত ওষুধ। এ ধরণের ওষুধ সচরাচর সব ফার্মেসিতে পাওয়া যায় না, যা থেকে উত্তেজনার সৃষ্টি হতে পারে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু শিক্ষার্থী জোরপূর্বক জরুরি বিভাগে প্রবেশের চেষ্টা করলে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়।

RELATED NEWS

Latest News