রাশিয়া দক্ষিণ ইউক্রেনে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এর মাত্র দুই দিন আগে রাজধানী কিয়েভে এক বিরল বিমান হামলায় ২৩ জন নিহত হন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনৈতিক দপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন শান্তি উদ্যোগ নতুন করে চাপে পড়ে।
শনিবার ভোরে চালানো হামলায় ইউক্রেনের জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলে অন্তত একজন নিহত এবং ২৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছেন গভর্নর ইভান ফেদোরভ। পাঁচতলা একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানায়, রাশিয়া ৫৩৭টি ড্রোন ও ভুয়া টার্গেট এবং ৪৫টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে ৫১০টি ড্রোন ও টার্গেট এবং ৩৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত বা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবারের বিমান হামলায় কিয়েভের কেন্দ্রে শিশু সহ ২৩ জন নিহত হয়েছিলেন। এটি ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর থেকে অন্যতম বড় ও প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। কয়েক ঘণ্টা ধরে ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিতদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়।
কিয়েভে ওই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন ইউক্রেনকে ৮২৫ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্রতিরক্ষায় সহায়ক সরঞ্জাম। যদিও ক্রেমলিন জানিয়েছে, হামলা সত্ত্বেও তারা শান্তি আলোচনায় আগ্রহী।
এই হামলা চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে বলে আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে।