গাজায় দুর্ভিক্ষের সর্বোচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি), একটি বৈশ্বিক ক্ষুধা পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা। সংস্থাটি জানায়, ইসরায়েল গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দেওয়ায় পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার ভোর থেকে গাজা উপত্যকায় অন্তত ৮১ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ৩২ জন ছিলেন সাহায্যপ্রার্থী সাধারণ নাগরিক। চিকিৎসা সূত্রে বলা হয়েছে, চলমান সংঘাতে এ পর্যন্ত ৬০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।
সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর একটিতে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে এক ফিলিস্তিনি মা নিহত হন, যখন চিকিৎসকরা তার নবজাতককে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন। এ ঘটনা গাজায় চলমান মানবিক সংকটের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে।
এদিকে দখলকৃত পশ্চিম তীরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মাসাফের ইয়াত্তায় এক ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর গুলিতে ফিলিস্তিনি শিক্ষক ও কর্মী আওদাহ হাতহালিন নিহত হন।
হামাসের নেতৃত্বে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬০ হাজার ৩৪ জন নিহত এবং ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭০ জন আহত হয়েছে। একই সময়ে ইসরায়েলে নিহত হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৩৯ জন এবং ২০০ জনেরও বেশিকে জিম্মি করা হয়।
মানবিক সংস্থাগুলো অবিলম্বে গাজায় সহায়তা প্রবাহ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে, যাতে দুর্ভিক্ষ ও মৃত্যুর ঝুঁকি আরও না বাড়ে।