নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
১২ এপ্রিল, ২০২৬
সশস্ত্র বাহিনীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সেনাবাহিনী যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে পৃথিবীর কোনো শক্তিই বাংলাদেশকে পরাজিত করতে পারবে না। রবিবার (১২ এপ্রিল) ঢাকা সেনানিবাসের দরবার হলে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীর জাতীয় মর্যাদা, সংস্কার এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়; তাদের একমাত্র পবিত্র দায়িত্ব হচ্ছে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।
বক্তব্যের মূল হাইলাইটস: আধুনিকায়ন ও সংস্কার
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করার পাশাপাশি বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রধান দিকসমূহ:
| বিষয় | প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান ও মন্তব্য |
| জাতীয় ঐক্য | সশস্ত্র বাহিনীর ঐক্যই সার্বভৌমত্বের প্রধান শক্তি। |
| জিয়াউর রহমানের অবদান | সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে তাঁর জ্বালানো দেশপ্রেমের শিখা যেন না নেভে। |
| জুলাই সনদ (July Charter) | রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য বিএনপি স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি ধারা বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। |
| পিলখানা হত্যাকাণ্ড | পিলখানা ট্র্যাজেডির মাধ্যমে সেনাবাহিনী ও মেধাবী কর্মকর্তাদের দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। |
| নির্বাচন ও স্থিতিশীলতা | ১২ ফেব্রুয়ারির সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সহায়তা আস্থার প্রতিফলন। |
| অর্থনৈতিক ভূমিকা | অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও অর্থনীতি সচল রাখতে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অনন্য। |
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও সশস্ত্র বাহিনী
প্রধানমন্ত্রী ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, তৎকালীন সংকটময় মুহূর্তে তাদের অবস্থান স্বাধীনতাকামী মানুষকে আশার আলো দেখিয়েছিল। ৫ আগস্ট পরবর্তী প্রশাসনিক অচলবস্থা ও অস্থিতিশীলতা নিরসনে সেনাবাহিনী যে পেশাদারিত্ব দেখিয়েছে, তা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
