Friday, April 3, 2026
Homeজাতীয়২৮তম কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ

২৮তম কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ

অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে যোগ দিতে আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর; আলোচনায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্সি ও রোহিঙ্গা ইস্যু।

কূটনৈতিক প্রতিবেদক | ৩ এপ্রিল, ২০২৬

আগামী ১ থেকে ৪ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার সেন্ট জনসে অনুষ্ঠিতব্য ২৮তম কমনওয়েলথ রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মেলনে (CHOGM) যোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। লন্ডনে নিযুক্ত অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার হাইকমিশনার কারেন-মে হিল বৃহস্পতিবার এই আমন্ত্রণপত্রটি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার নজরুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করেন।

লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার প্রধানমন্ত্রী গ্যাস্টন ব্রাউন এই আমন্ত্রণপত্রটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছেন। আমন্ত্রণপত্রটি গ্রহণের সময় দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

কূটনৈতিক আলোচনার মূল বিষয়সমূহ

বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার সমর্থন কামনা করেন:

১. জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্সি: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের (২০২৬-২০২৭) সভাপতি পদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের প্রার্থিতার পক্ষে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার সমর্থন চাওয়া হয়েছে।

২. রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের টেকসই এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে কমনওয়েলথ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।


একনজরে ২৮তম সিএইচওজিএম (CHOGM)

বিষয়তথ্য
অনুষ্ঠানের নাম২৮তম কমনওয়েলথ রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মেলন (CHOGM)
স্থানসেন্ট জনস, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা
তারিখ১-৪ নভেম্বর, ২০২৬
আমন্ত্রণকারীপ্রধানমন্ত্রী গ্যাস্টন ব্রাউন (অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা)
আমন্ত্রিতপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (বাংলাদেশ)

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আমন্ত্রণ বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কৌশলগত অবস্থান আরও শক্তিশালী করার একটি সুযোগ। বিশেষ করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতা সফল হলে তা দেশের কূটনৈতিক সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক যোগ করবে।

RELATED NEWS

Latest News