Friday, April 3, 2026
Homeজাতীয়শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল: শুক্রবারই চূড়ান্ত হচ্ছে চুক্তি

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল: শুক্রবারই চূড়ান্ত হচ্ছে চুক্তি

আর্থিক ব্যবধান ঘুচিয়ে জাপানের সমর্থন নিশ্চিত; চলতি বছরের শেষে বা ২০২৭-এর শুরুতে উদ্বোধনের লক্ষ্য।

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২ এপ্রিল, ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (HSIA) বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার চুক্তিটি শুক্রবার একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে চূড়ান্ত হতে যাচ্ছে। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, চুক্তির প্রধান আর্থিক অসংগতিগুলো স্পষ্ট করা হয়েছে এবং জাপান এই বিষয়ে তাদের সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছে।

বাসস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি আশাবাদী যে আগামীকাল আমরা এই চুক্তির বিষয়ে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারব।” বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আর্থিক ব্যবধানের বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করা হয়েছে। রাষ্ট্রদূত জাপানি কনসোর্টিয়াম এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে এই বিষয়ে তাগিদ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

“অন্তর্বর্তী সরকারের সময় টার্মিনালটি প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকায় অনেক বিদেশি এয়ারলাইন্স বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই দ্রুত এটি চালুর নির্দেশ দিয়েছেন।”

এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রতিমন্ত্রী।

একনজরে তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্প

বিষয়তথ্য
মোট ব্যয়২১,৩৯৮ কোটি টাকা
অর্থায়নজাইকা (JICA)
আয়তন৫,৪২,০০০ বর্গমিটার
যাত্রী ধারণক্ষমতাবছরে অতিরিক্ত ১২-১৬ মিলিয়ন
কার্গো ক্ষমতাবছরে ৯,০০,০০০ টন
জাপানি কনসোর্টিয়ামসামিতোমো, সোজিৎজ, নারিটা ও জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কো.

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সময়সীমা

প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত জানান, শুক্রবার বিকেল ৩টায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চূড়ান্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। যদি ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে আগামী তিন মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সব ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ অথবা ২০২৭ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যে টার্মিনালটি পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হবে।

আগামীকালের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন। জাপানের পক্ষে ল্যান্ড, ইনফ্রাস্ট্রাকচার, ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ট্যুরিজম (MLIT) এর ভাইস-মিনিস্টার এবং জাইকার প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

RELATED NEWS

Latest News