Sunday, March 29, 2026
Homeআন্তর্জাতিকইরানকে ‘অক্ষম’ না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে: মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

ইরানকে ‘অক্ষম’ না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে: মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

অধিকাংশ সামরিক লক্ষ্য অর্জিত হলেও স্থায়ী নিরাপত্তার স্বার্থে আরও কিছুদিন অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিকে তিনি ‘সাময়িক’ বলে অভিহিত করেছেন।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ওয়াশিংটন

আপডেট: ২৯ মার্চ, ২০২৬

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, ইরানকে দীর্ঘমেয়াদে ‘অক্ষম’ বা কার্যকরহীন না করা পর্যন্ত দেশটির বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ আরও কিছু সময় অব্যাহত থাকবে। ‘বেনি শো’ নামক একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, আমেরিকা ইতিমধ্যে তাদের অধিকাংশ সামরিক লক্ষ্য অর্জন করেছে।

জেডি ভ্যান্স বলেন, কেউ চাইলে যুক্তি দিতে পারেন যে অভিযানের উদ্দেশ্যগুলো আসলে ইতিমধ্যেই পূরণ হয়ে গেছে। তবে প্রেসিডেন্ট আরও কিছু সময় এই অভিযান চালিয়ে যেতে চান যাতে করে আমরা যখন এই অঞ্চল ছেড়ে যাব, তখন যেন দীর্ঘ সময়ের জন্য আমাদের আর ফিরে আসতে না হয়। এটি মার্কিন সামরিক অর্জনের স্থায়ীত্বের বিষয়ে একটি বিরল স্বীকারোক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইরানের পক্ষ থেকে আসা হুমকির কথা উল্লেখ করে ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, দেশটি বিভিন্নভাবে আমাদের হুমকি দিচ্ছে। তারা এখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো তাদের দীর্ঘ সময়ের জন্য অক্ষম করে দেওয়া।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে ভ্যান্স বলেন, এটি খুবই সাময়িক একটি প্রতিক্রিয়া। আমরা এক বা দুই বছর ইরানে অবস্থান করতে আগ্রহী নই। আমরা আমাদের কাজ সেরে দ্রুতই সেখান থেকে চলে আসব এবং জ্বালানি তেলের দাম আবারও কমে যাবে।

উল্লেখ্য যে, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ, যার ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এই যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দাম বেড়েছে। ভ্যান্সের মতে, এই স্বল্পমেয়াদী সংঘাতের ফলাফল হবে ইতিবাচক।

ভাইস প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্যের পরদিন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে ইরানি জাহাজ ধ্বংস করার দৃশ্য দেখানো হয়েছে। সেন্টকম ক্যাপশনে লিখেছে, কয়েক দশক ধরে ইরানি নৌযানগুলো আঞ্চলিক জলসীমায় বৈশ্বিক জাহাজ চলাচলে হুমকি ও হয়রানি করে আসছিল, কিন্তু সেই দিন এখন শেষ।

RELATED NEWS

Latest News