আসন্ন উইমেনস ট্রাই-নেশন টুর্নামেন্টের জন্য সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম ১০০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। শনিবার এ কথা জানিয়েছেন টুর্নামেন্টের কমিটি চেয়ারম্যান গোলাম গাউস। সাশ্রয়ী মূল্যে টিকিট দেওয়ায় বিপুল সংখ্যক দর্শক মাঠে উপস্থিত হবেন বলে আশা করছে বাফুফে।
দেশের সাবেক এই ফুটবলার নতুন টিকিট কাঠামোর বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা মূলত সব গ্যালারির টিকিটের মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ করেছি। এর পাশাপাশি ক্লাব হাউজ ওয়ানের টিকিটের দাম রাখা হয়েছে ৩০০ টাকা। এটি কেবল নারীদের জন্য একটি জোন হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে আমাদের নিজেদের নারী দল ছাড়াও অন্যান্য মেয়েরা যারা খেলা দেখতে আসবেন, তাদের জন্য এই জোন তৈরি করা হয়েছে।”
এছাড়াও, ক্লাব হাউজ টু-এর টিকিটের দাম রাখা হয়েছে ২০০ টাকা। রেড বক্স, প্রেসিডেন্ট বক্স এবং ভিআইপি স্কাই বক্স এলাকাগুলো টুর্নামেন্টের স্পন্সর ঢাকা ব্যাংকের জন্য ভিআইপি আসন হিসেবে বরাদ্দ করা হয়েছে। রবিবার দুপুর ২টা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো হবে আগামী ২৬, ২৯ এবং ২ তারিখে।
তবে অন্য খেলার জন্য স্টেডিয়ামের পূর্ণ ব্যবহার না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন গাউস। তিনি জানান, টুর্নামেন্ট আয়োজনের আগেই তারা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে অনুরোধ করেছিলেন যে ম্যাচের আগে মাঠের সঠিক ব্যবহারের জন্য চার বা পাঁচ দিনের প্রয়োজন। কিন্তু ক্রীড়া পরিষদ কেন এই সময়ে রাগবি খেলার অনুমতি দিল, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। গাউস বলেন, “অবশ্যই সমন্বয়ের অভাবের ফলেই এমনটা হচ্ছে।”
বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও বাফুফে দাবি করেছে যে আপোসকৃত পরিস্থিতিতে ফুটবল খেলা চালিয়ে যেতে হচ্ছে। গাউস বলেন, “আমরা এখনও সম্পূর্ণ স্টেডিয়াম পাচ্ছি না। সকলকে সমন্বয় করে ফুটবল চালাতে হচ্ছে। ফুটবল খেলার জন্য প্রয়োজন একটি সুন্দর মাঠ ও সুন্দর পরিবেশ। কিন্তু সরকার বা ক্রীড়া পরিষদের কাছ থেকে আমরা এই মাঠ শতভাগ পাচ্ছি না।”
তিনি আরও বলেন, ফুটবলের জন্য যদি একটি ডেডিকেটেড স্টেডিয়াম পাওয়া যায়, তবে বড় টুর্নামেন্টগুলোর মান ও নিরাপত্তা অনেক উন্নত হবে। গাউস বলেন, “আমরা যদি ফুটবলের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম পাই, তাহলে আমরা নিরাপদে এবং সুন্দর পরিবেশে ফুটবলের আয়োজন করতে পারব।”
টিকিটের দাম মাত্র ১০০ টাকা হওয়ায়, ঢাকায় আন্তর্জাতিক নারী ফুটবলের উত্তেজনা বাড়ার সাথে সাথে ২৬, ২৯ এবং ২ তারিখে ম্যাচগুলোতে বিপুল সংখ্যক ভক্ত মাঠে উপস্থিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
