বাহুবলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী পদে ভূয়া সনদে চাকরি ॥ ৩ জনকে পুলিশে দিলেন ইউএনও

এ অভিযোগগুলোর আনুষ্ঠানিক তদন্ত অনুষ্ঠিত হয় গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, ২নং খাগাউড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত  পদে একজন করে লোক নিয়োগের লক্ষ্যে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী ৯ জনের বিরুদ্ধে ভূয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী প্রার্থীরা। এ অভিযোগগুলোর আনুষ্ঠানিক তদন্ত অনুষ্ঠিত হয় গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, ২নং খাগাউড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থী মোঃ সাহেদ আলীর বিরুদ্ধে ভূয়া সনদে চাকরি জন্য আবেদন করার অভিযোগ করেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী সোহেব চৌধুরী। মোঃ সাহেদ আলী তদন্তকালে অনুপস্থিত থাকলেও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগটি প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া শিমুলিয়াম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থী মোঃ রুহুল আমীনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী মোঃ সোহাগ মিয়া, মিরপুর ২নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থী ফয়সল-এর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী খন্দকার শামীম মিয়া এবং চিচিরকুট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নির্বাচিত মোঃ তাহির মিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী মোঃ নজরুল ইসলাম-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মোঃ রুহুল আমীন, ফয়সল ও মোঃ তাহির মিয়াকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। এদিকে, রাউদগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থী সাহাব উদ্দিন তালুকদারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগ প্রত্যাহার করতে এসে একই বিদ্যালয়ে তৃতীয় স্থান অধিকারী প্রার্থী মোঃ কাউছার মিয়া আটক হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জসীম উদ্দিন জানান, ৯টি বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল হলেও ৪টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ভূয়া সনদ দাখিলকারী ৪ জনের মাঝে ৩ জনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। একজন পলাতক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট অভিযোগে মামলা দায়ের করা হবে। এছাড়া মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করে পরবর্তীতে প্রত্যাহার করতে আসা একজনকে আটক রাখা হয়েছে।নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ বাহুবলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরী পদে চাকরির জন্য নির্বাচিত ৩ প্রার্থীর জাল সনদ দাখিল এবং একজনকে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানির অভিযোগে আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জসীম উদ্দিন। গত ৫, ৬ ও ৭ জুন উপজেলার ২৬ টি স্কুলে উক্ত পদে একজন করে লোক নিয়োগের লক্ষ্যে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী ৯ জনের বিরুদ্ধে ভূয়া সনদ দাখিলের অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী প্রার্থীরা। এ অভিযোগগুলোর আনুষ্ঠানিক তদন্ত অনুষ্ঠিত হয় গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, ২নং খাগাউড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থী মোঃ সাহেদ আলীর বিরুদ্ধে ভূয়া সনদে চাকরি জন্য আবেদন করার অভিযোগ করেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী সোহেব চৌধুরী। মোঃ সাহেদ আলী তদন্তকালে অনুপস্থিত থাকলেও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগটি প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া শিমুলিয়াম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থী মোঃ রুহুল আমীনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী মোঃ সোহাগ মিয়া, মিরপুর ২নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থী ফয়সল-এর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী খন্দকার শামীম মিয়া এবং চিচিরকুট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নির্বাচিত মোঃ তাহির মিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী মোঃ নজরুল ইসলাম-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মোঃ রুহুল আমীন, ফয়সল ও মোঃ তাহির মিয়াকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। এদিকে, রাউদগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থী সাহাব উদ্দিন তালুকদারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগ প্রত্যাহার করতে এসে একই বিদ্যালয়ে তৃতীয় স্থান অধিকারী প্রার্থী মোঃ কাউছার মিয়া আটক হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জসীম উদ্দিন জানান, ৯টি বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল হলেও ৪টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ভূয়া সনদ দাখিলকারী ৪ জনের মাঝে ৩ জনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। একজন পলাতক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট অভিযোগে মামলা দায়ের করা হবে। এছাড়া মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করে পরবর্তীতে প্রত্যাহার করতে আসা একজনকে আটক রাখা হয়েছে।ৃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *